সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:১৫ অপরাহ্ন

সমকামীদের থানায় হস্তান্তরের পর পুলিশ কর্তৃক হেনাস্তার শিকার হায়দার

জনশক্তি ডেক্স:
  • আপডেট সময়: সোমবার, ১১ মার্চ, ২০২৪ ৭:৩১ am

সিঙ্গাইর,(মানিকগঞ্জ): দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসি উৎ পেতে থেকে দুই মেয়ে সমকামীদের শনিবার ( ৯ মার্চ) সন্ধায় মানিকগঞ্জ সিঙ্গাইর উপজেলার বায়রা ইউনিয়নের গাড়াদিয়া গ্রামে জৈনক ছকেল উদ্দিনের মেয়ে রমেলা আক্তার সিমা (২৬) তার মহিলা স্বামী প্রিয়া চৌধুরী (রিপা) (৩৫)কে এলাকাবাসি আটক করে বায়রা বাজার বণিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হায়দার দেওয়ানের কাছে নিয়ে আসে। দেওয়ান হায়দার হোসেন স্থানীয় সাংবাদিকদের ফোন করেন। পরে সাংবদিকরা ঘটনাস্থে গিয়ে থানায় পাঠায় দিতে বলেন। কথিত বউ সিমার মা ও বাবা নিজ দ্বায়িত্বে সিঙ্গাইর থানায় হস্তান্তর করেন বলে জানা যায়।

সমকামী মহিলা রিপা হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার খরগাও ৭ নং ওয়ার্ড দূর্গাপুর গ্রামের সফর উদ্দিনের মেয়ে।

তবে এঘটনায় সমকামীদের সিঙ্গাইর থানায় হস্তান্তর করার পর বায়রা এলাকার হায়দার পুলিশ কর্তৃক হয়রানি করা হচ্ছে বলে জানান। আনুমানিক রাত ১ টার সময় সিঙ্গাইর থানার এসআই আব্দুস সালাম, এএসআই বদরুল আলম ও ড্রাইবার আল আমিন হায়দারকে ডাকেন। পরে হায়দার বাসা থেকে বের না হওয়ায় তারা চলে আসেন বলে জানা যায়। থানা থেকে রবিবার ১২ টার দিকে এসআই দিপংকর হায়দারকে ফোন দিয়ে বলেন আপনি জরুরী থানায় এসে দেখা করেন।

সূত্রে জানা গেছে, গত দুই বছর যাবৎ সমকামী মহিলা রিপা স্বামী সেজে মেয়ে সিমা আক্তারকে বিয়ে করেন। পরে পারিবারিক ভাবেই তারা সংসার করতে থাকেন। এনিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে এলাকায় তোলপাড় চলছে। পরে এলাকবাসি ও সিমা আক্তারের পরিবার দুইজনকে ধরে স্থানীয় মাদবর হায়দারের কাছে নিয়ে আসলে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে সিঙ্গাইর থানায় হস্তান্তর করেন।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আরো জানা যায়, সমকামী মহিলা রিপা ইতালি পাঠানোর কথা বলে তার কথিত বউ সিমা আক্তারের মা ও বোন জামায়ের কাছ থেকে ১৪ লাখ টাকাও হাতিয়ে নিয়েছেন।

দেওয়ান হায়দার হোসেন বলেন, আমি তো এসব বিষয় তেমনটা জানিনা গাড়াদিয়ার সিমার পরিবার তাদের দু’জনকে ধরে আমার কাছে নিয়ে আসছে পরে আমি সাংবাদিকদের সাথে পরামর্শ করে তাদের গার্ডিয়ানদের দিয়েই থানায় পাঠিয়েছি।

এএসআই বদরুল আলম বলেন, হায়দারে নাম্বার বন্ধ থাকায় (ওসি) তদন্ত আমাদের তার কাছে বিষয়টি ভালো ভাবে জানতে পাঠিয়েছে।

এবিষয়ে, সিঙ্গাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়ারুল ইসলাম বলেন, রুমেলা আক্তার সিমা ও তার পরিবার কোনো অভিযোগ না করায় আমরা নিয়ম অনুযায়ী ছেড়ে দিয়েছি। এবং হায়দারের কাছ থেকে ঘটনাটি জানার জন্য তাকে ডাকতে পাঠানো হয়েছিলো।

শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© All rights reserved © janashokti

Developer Design Host BD